ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূর্ণমিলনী কার্যক্রমের সূচনা মোল্লাকান্দিতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বাড়ি-ঘর লুট ও ভাঙচুরের অভিযোগ শ্রীনগরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন শ্রীনগরে চাঁদাবাজির মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে জমির মালিকানা নিয়ে ধুম্রজাল পদ্মা সেতুতে ছয় মাসে আয় ৩৯৫ কোটি করোনায় চিকিৎসাহীন কেউ মারা গেলে তা ফৌজদারী অপরাধ : হাইকোর্ট আত্মহত্যা করেছেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত যেসব এলাকা… ধর্ম পালনের জন্য মিডিয়াকে ‘গুডবাই’ জানালেন সুজানা!

করোনা সংক্রমণে যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে চারে ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০ ৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে ভারতের অবস্থান এখন চতুর্থ। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে ৮ হাজারের বেশি। বৃহস্পতিবার ভারত চতুর্থ স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে যায়, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজারের কিছু বেশি। সর্বোচ্চ আক্রান্তের তালিকায় ভারতের আগে রয়েছে রাশিয়া, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র।

ভারতের কেরালায় গত ৩০ জানুয়ারি প্রথম করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৫ মার্চ দেশজুড়ে লকডাউনও জারি করা হয়। সেই সময় দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫০০ এর কিছু বেশি। মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ জন। তবে সম্প্রতি লকডাউন শিথিল করতে শুরু করেছে ভারত। আর এর মধ্যেই দ্রুত বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ মে এর পর থেকে বেড়েছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেইসময় প্রথম ১০টি আক্রান্ত দেশের তালিকায় প্রবেশ করে ভারত। তখন থেকে মাত্র ১৮ দিনে চতুর্থ স্থানে গেল দেশটি।

যদিও এখন ৩০ জুন পর্যন্ত পঞ্চম পর্যায়ের লকডাউন চলছে, তবে বাস, ট্রেন, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল পরিষেবা, বেশিরভাগ অফিস,বাজার, শপিং মল এবং ধর্মীয় স্থান খোলা হয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখে তাদের কাজকর্ম শুরু করতে বলা হয়েছে।

ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হটস্পট মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তারপর রয়েছে তামিলনাড়ু ও দিল্লি। দেশটির রাজধানীতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজারের বেশি।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ লাখের কাছাকাছি। এর পরই রয়েছে ব্রাজিলের অবস্থান। সেদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

করোনা সংক্রমণে যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে চারে ভারত

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে ভারতের অবস্থান এখন চতুর্থ। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে ৮ হাজারের বেশি। বৃহস্পতিবার ভারত চতুর্থ স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে যায়, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজারের কিছু বেশি। সর্বোচ্চ আক্রান্তের তালিকায় ভারতের আগে রয়েছে রাশিয়া, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র।

ভারতের কেরালায় গত ৩০ জানুয়ারি প্রথম করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৫ মার্চ দেশজুড়ে লকডাউনও জারি করা হয়। সেই সময় দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫০০ এর কিছু বেশি। মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ জন। তবে সম্প্রতি লকডাউন শিথিল করতে শুরু করেছে ভারত। আর এর মধ্যেই দ্রুত বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ মে এর পর থেকে বেড়েছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেইসময় প্রথম ১০টি আক্রান্ত দেশের তালিকায় প্রবেশ করে ভারত। তখন থেকে মাত্র ১৮ দিনে চতুর্থ স্থানে গেল দেশটি।

যদিও এখন ৩০ জুন পর্যন্ত পঞ্চম পর্যায়ের লকডাউন চলছে, তবে বাস, ট্রেন, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল পরিষেবা, বেশিরভাগ অফিস,বাজার, শপিং মল এবং ধর্মীয় স্থান খোলা হয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখে তাদের কাজকর্ম শুরু করতে বলা হয়েছে।

ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হটস্পট মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তারপর রয়েছে তামিলনাড়ু ও দিল্লি। দেশটির রাজধানীতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজারের বেশি।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ লাখের কাছাকাছি। এর পরই রয়েছে ব্রাজিলের অবস্থান। সেদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি।